হোম বাংলাদেশ অপরাধ ২৩ টি জীবন বাঁচাতে কত টাকা মুক্তিপণ

২৩ টি জীবন বাঁচাতে কত টাকা মুক্তিপণ

0
২৩ টি জীবন বাঁচাতে কত টাকা মুক্তিপণ

সোমালিয়ার জলদস্যুদের বাংলাদেশি নাবিকদের জিম্মি হওয়ার ঘটনা নিয়ে সমকালের শিরোনাম, ‘কত টাকা মুক্তিপণে বাঁচবে ২৩ জীবন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহাজটির মালিকপক্ষ কেএসআরএম গ্রুপ মনে করছে, টাকা ছাড়া নাবিকদের মুক্তি মিলবে না।

তাই মুক্তিপণ দেওয়ার পথেই হাঁটছে তারা। তবে মুক্তিপণ কত? কোন প্রক্রিয়া বা কার মাধ্যমে দেওয়া হবে টাকা– এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা চলছে।

১৪ বছর আগে একই মালিকের আরেকটি জাহাজ ‘এমভি জাহান মণি’ একইভাবে সোমালিয়ার জলদস্যুর কবলে পড়েছিল। সে সময়ও মুক্তিপণ দিয়ে ২৫ নাবিক-ক্রুকে ছাড়িয়ে এনেছিল কেএসআরএম। সেবার ১০০ কোটি টাকার বেশি মুক্তিপণ চেয়েছিল দস্যু দল।

ঠিক কত টাকা মুক্তিপণ দিয়ে সে সময় বিষয়টির দফারফা করা হয়, তা গতকালও স্বীকার করেনি কর্তৃপক্ষ। এবারও তারা বলছে না মুক্তিপণের অঙ্ক।

নাবিক জিম্মির ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘যারা জাহাজটি হাইজ্যাক করেছে, এখনও তাদের সঙ্গে ফরমালি কন্টাক্ট হয়নি। আমরা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে চেষ্টা করছি এবং যেখানে জানানো প্রয়োজন, সেখানে জানিয়েছি।’

পত্রিকা

জিম্মি নাবিকদের বাঁচার আকুতিকে শিরোনাম করেছে মানবজমিনও।

তাছাড়া, কানাডার উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফরের খবরকেও প্রথম পাতায় স্থান দিয়েছে পত্রিকাটি। শিরোনাম করেছে ‘ঢাকা ঘুরে যে বার্তা দিয়ে গেলেন কানাডার কনস্যুলার কর্মকর্তা’।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, কানাডা সফরে আগ্রহী বাংলাদেশিদের সংখ্যা আচমকা বেড়ে গেছে।

ভ্রমণ, উন্নত পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য, ফ্যামিলি রি-ইউনিয়ন এবং স্কিল মাইগ্রেশন- সব মিলে ঢাকা থেকে কানাডার ভিসা আবেদনে এক ধরনের ‘অস্বাভাবিকতা’ তৈরি হয়েছে! ধরা পড়ছে অসাধু ট্র্যাভেল এজেন্সির জাল-জালিয়াতির ঘটনাও।

বাংলাদেশ থেকে ভিসা আবেদনের অস্বাভাবিকতা, জেনুইন আবেদনকারীদের হয়রানির অভিযোগসহ সামগ্রিক ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে অনেকটা নীরবেই ঢাকা ঘুরে গেছেন কানাডার উচ্চ পর্যায়ের কনস্যুলার টিম।

যার নেতৃত্বে ছিলেন অভিবাসন, শরণার্থী এবং নাগরিকত্ব বিষয়ক এশিয়া অঞ্চলের ডিরেক্টর টাইলার অ্যারেল। তারা বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠক করেছেন।

জলদস্যু কবলিত বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর অবস্থান নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম Hijacked ship sailing fast to Somali shores

বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএমওএ) বুধবার রাতে জাহাজটির গতিবিধি সম্পর্কে যে তথ্য দিয়েছে তার ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে।

তাদের তথ্য অনুযায়ী, এমভি আব্দুল্লাহ বুধবার সন্ধ্যায় সোমালিয়ার উপকূল থেকে প্রায় ১৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল।

জাহাজটিকে প্রায় ৫ থেকে ১১ নটিক্যাল মাইল গতিতে সোমালিয়ার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল দস্যুরা। পরবর্তীতে এর গতি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএমএমওএ।

তারা একটি আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানি থেকে জাহাজের সর্বশেষ অবস্থানের ছবি পেয়েছে।

ছবিতে দেখা গেছে, জাহাজটি সোমালিয়ার গারাকাদ বন্দরের দিকে যাচ্ছে। গত ৫ ঘণ্টায় জাহাজের গতি বেড়েছে। সম্ভবত জোয়ারের কারণে গতি বেড়েছে।

অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘জাহাজের বর্তমান গতি প্রায় ১৪ নটিক্যাল মাইল। এ গতিতে চললে জাহাজটি আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে সোমালিয়ায় নোঙর করবে।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দেশের বিভিন্ন বৃহৎ করপোরেট প্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের ভাঙন ঘটনার প্রেক্ষাপট ও এর প্রভাব তুলে ধরে ‘বড় করপোরেটদের ভাঙন উদ্বেগে ব্যাংকাররা’ শিরোনামে প্রতিবেদন করেছে বণিক বার্তা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, প্রথম প্রজন্মের গড়ে তোলা পারিবারিক ব্যবসা দ্বিতীয় প্রজন্মে এসে অংশীদারদের দ্বন্দ্বে বিভক্ত হয়ে পড়ছে। কখনো কখনো তা আদালতেও গড়াচ্ছে।

প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তার উত্তরাধিকারীরা একে অন্যের বিরুদ্ধে মামলা করছেন। দ্বন্দ্বের মুখে পুরনো প্রতিষ্ঠান ভেঙে তৈরি হচ্ছে ভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

বৃহৎ এসব প্রতিষ্ঠান দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের বড় গ্রাহক হিসেবে ব্যবসা চালিয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। কোনো কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠানের নানা ব্যবসায় ব্যাংকগুলোর বড় অংকের ঋণ অর্থায়নও রয়েছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, ভাঙনে কোম্পানিগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক সক্ষমতা হুমকির মুখে পড়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন তারা।

জামিন সত্ত্বেও বিরোধী নেতাদের কারাগারে আটকে রাখার অভিযোগ নিয়ে দ্য নিউ এইজ’র শিরোনাম, Politicians allege illegal detention despite bail

প্রতিবেদনের ভাষ্য, জামিনের নথি পৌঁছানোর পরেও কারা কর্তৃপক্ষ অহেতুক সময়ক্ষেপণ করে আরও কয়েকদিন আটকে রেখেছিল, এমন অভিযোগ করেছেন বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা।

অভিযোগকারীদের বেশিরভাগই প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

ওই নেতাদের দাবি, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত কারা কর্তৃপক্ষ তাদের মুক্তি বিলম্বিত করেছে।

অন্তত ১২ জন জ্যেষ্ঠ ও মধ্যমসারির নেতা সম্প্রতি এই পরিস্থিতির শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন পত্রিকাটিকে।

তারা এই আটককে অবৈধ উল্লেখ করে পুরো প্রকিয়াটিকেই বিচারবহির্ভূত হিসেবে মন্তব্য করেন।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ অবশ্য বলেছেন, জামিনের কাগজপত্র জেল গেটে পৌঁছালে তারা যত দ্রুত সম্ভব বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেন।

দৈনিক যুগান্তরের অন্যতম শিরোনাম ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বারো শিশুসহ ৩৪

প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সিলিন্ডারের গ্যাসে আগুন লেগে শিশুসহ ৩৪ জন দগ্ধ হয়েছেন।

বুধবার বিকালে উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের তেলিরচালা টপ স্টার কারখানার পাশের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধদের ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। ভর্তি অধিকাংশ রোগীর ৩৫ থেকে ৯৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের কেউ শঙ্কামুক্ত নন।

সিলিন্ডারের গ্যাস শেষ হয়ে গেলে সফিকুল ইসলাম নিজেই দোকান থেকে একটি সিলিন্ডার কিনে আনেন। সেই সিলিন্ডারটি সংযোগ দেওয়ার সময় এর চাবি খুলে যায়।

এ সময় পাশের চুলা থেকে সিলিন্ডারের বের হওয়া গ্যাসে আগুন ধরে যায়। তখন শফিকুল সিলিন্ডারটি ছুড়ে মারেন।

এ সময় উৎসুক নারী, পুরুষ ও শিশুদের শরীরে আগুন লেগে যায়। এতে অনেকে দগ্ধ হয়েছেন।

দৈনিক নয়াদিগন্ত’র প্রধান শিরোনামেও স্থান পেয়েছে সোমালি জলদস্যুদের কবলে থাকা জাহাজের খবর।

এছাড়া, বাংলাদেশে কোটিপতির সংখ্যাবৃদ্ধি নিয়ে পত্রিকাটির প্রথম পাতায় আরেকটি শিরোনাম, ‘ব্যাংকের ৩০ ভাগ আমানত কোটিপতিদের দখলে’।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে পাওয়া তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে অস্বাভাবিক হারে কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে।

গত দেড় দশকে (২০০৯-২০২৩) কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় এক লাখ।

২০০৮ সালের ডিসেম্বর শেষে এর সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর শেষে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় এক লাখ ১৭ হাজার।

এ সময়ে দেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় এক লাখ, যা শতকরা হিসাবে ৫১৫ ভাগ। গত তিন মাসেই কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার।

গত সেপ্টেম্বর শেষে এ সংখ্যা ছিল এক লাখ ১৩ হাজার ৫৮৬ জন। এ কোটিপতিদের ব্যাংক হিসাবে টাকার পরিমাণ ৫ লাখ ১৭ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা।

আর এ অর্থ ব্যাংকের মোট ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৩২ কোটি টাকা আমানতের প্রায় ৩০ শতাংশ।

অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভিযান ও সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর তদন্তের অবস্থা নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর শিরোনাম, ‘বিচ্ছিন্ন অভিযান, তদন্ত গতিহীন’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাজধানীর বেইলি রোডের ভবনটিতে আগুন লাগে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে। ৩ ও ৪ মার্চ শুরু হয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অভিযান। দুই সিটির সঙ্গে ছিল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

ডিএমপি এই ১০ দিনে ১ হাজার ১৩২টি রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়েছে। রাজউক ৩৩টি ভবনে অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৪৭ লাখ টাকা জরিমানা করেছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দুটি ভবন ও দুটি রেস্তোরাঁ সিলগালা করার পাশাপাশি ৭টি প্রতিষ্ঠানকে ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন জরিমানা করেছে ২২টি প্রতিষ্ঠানকে, পরিমাণ ৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা।

তবে, অভিযানে ইতোমধ্যে ভাটা পড়েছে। ডিএমপির অভিযান বন্ধ। দক্ষিণ সিটি গতকাল বুধবার কোনো অভিযান চালায়নি। উত্তর সিটি চালিয়েছে। রাজউক গতকাল তিনটি ভবনে গেছে।

এদিকে বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় গঠিত ফায়ার সার্ভিস ও রাজউকের দুটি তদন্ত কমিটির একটিও প্রতিবেদন দেয়নি।

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার অন্যতম শিরোনাম, ‘ঈদযাত্রায় ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু ২৪ মার্চ

প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, আগামী ১০ এপ্রিলকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন ধরে ঈদযাত্রায় ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

এবারই প্রথম সাত দিনের টিকিট বিক্রি করবে তারা। সেই হিসাবে এই ট্রেনযাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ২৪ মার্চ। যাত্রীদের সুবিধার্থে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে।

রেল কর্তৃপক্ষের বরাতে জানানো হয়েছে, ‘ঈদের আগে আন্তনগর ট্রেনের ৩ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করা হবে ২৪ মার্চ। পর্যায়ক্রমে ৯ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি করা হবে ৩০ মার্চ।’

ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিলের টিকিট বিক্রি হবে।’

অগ্রিম ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ৩ এপ্রিল থেকে। ৯ এপ্রিল পর্যন্ত অগ্রিম ফিরতি টিকিট বিক্রি হবে। ৩ এপ্রিল পাওয়া যাবে ১৩ এপ্রিলের টিকিট।

মতামত নাই

একটা কিছু লিখে জান

আপনার মতামত টি লিখুন!
এখানে আপনার নাম লিখুন

error: Content is protected !!

Discover more from গ্রাম বাংলা

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading

Exit mobile version